18 Feb 2026 +880 1886 456688
image

Laws & Rules

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন, ২০২৩
Click here for Deep-Dive

বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন, ২০২৩

তৃতীয় অধ্যায় : হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণের নিবন্ধন, ইত্যাদি ( হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা আইন, ২০২৩ )
১৯। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণের নিবন্ধন, ইত্যাদি

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, কাউন্সিল, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের নিবন্ধন করত তাহাদের নাম, এতদ্‌সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় বিবরণসহ, একটি নিবন্ধন বহিতে অন্তর্ভুক্ত করিবে, এবং উক্ত নিবন্ধন বহি সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করিয়া প্রকাশ করিবে।

(২) হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে স্নাতকোত্তর, ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি বা ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি সনদধারী কোনো ব্যক্তি বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে ও ফি পরিশোধ সাপেক্ষে কাউন্সিলের নিকট নিবন্ধনের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।

(৩) উপধারা (২) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির পর কাউন্সিল-

(ক) আবেদনে উল্লিখিত তথ্যাবলি পরীক্ষা করিয়া নির্ধারিত মানদণ্ড এবং ধারা ২৪ এর অধীন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইলে উক্ত ব্যক্তিকে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসাবে নিবন্ধন করিবে; এবং

(খ) আবেদনকারী নিবন্ধনের অযোগ্য হইলে আবেদনটি নামঞ্জুর করিয়া উহার কারণ আবেদনকারীকে লিখিতভাবে অবহিত করিবে।

(৪) বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০ (২০১০ সনের ৬১ নং আইন) এর অধীন চিকিৎসক হিসাবে নিবন্ধিত কোনো ব্যক্তি প্রবিধি দ্বারা নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসাবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।

(৫) কোনো স্বীকৃত বিদেশি হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হইতে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় স্নাতকোত্তর, ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি বা ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি সনদধারী কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধি দ্বারা নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসাবে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।

(৬) বিদেশে নিবন্ধিত কোনো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বাংলাদেশে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করিতে চাহিলে তাহাকে উক্ত চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করিবার পূর্বেই নির্ধারিত পদ্ধতিতে কাউন্সিলের অনুমতি গ্রহণ করিতে হইবে।

২০। নিবন্ধন স্থগিত, বাতিল, নিবন্ধন বহি হইতে নাম কর্তন, ইত্যাদি

(১) কোনো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এই আইন বা তদধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধির কোনো বিধান লঙ্ঘনের কারণে দোষী সাব্যস্ত হইলে, কাউন্সিল বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত ব্যক্তির নিবন্ধন স্থগিত বা, ক্ষেত্রমত, বাতিল করিতে পারিবে:

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীন কাউন্সিল কর্তৃক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বে উক্ত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসককে বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কারণ দর্শানোর সুযোগ প্রদান করিতে হইবে।

(২) উপধারা (১) এর বিধান অনুযায়ী কোনো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নিবন্ধন বাতিল করা হইলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নিবন্ধন বহি হইতে তাহার নাম কর্তন করিতে হইবে।

(৩) উপধারা (২) এর অধীন নাম কর্তন করিবার অনধিক ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসককে লিখিতভাবে অবহিত করিতে হইবে।

২১। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের তালিকা প্রকাশ

(১) কাউন্সিল, প্রতি ২ (দুই) বৎসর অন্তর, প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নাম, ঠিকানা, নিবন্ধনের তারিখ বা, অনুরূপ অন্যান্য বিষয় নিবন্ধন বহিতে অন্তর্ভুক্ত করিয়া হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকগণের তালিকা হালনাগাদ ও প্রকাশ করিবে।

(২) উপধারা (১) এর অধীন প্রকাশিত তালিকায় কোনো হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নাম না থাকিলে তিনি বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে তাহার নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য কাউন্সিলের নিকট আবেদন করিতে পারিবেন।

(৩) এই ধারার অধীন প্রকাশিত তালিকায় যে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের নাম থাকিবে তিনি একজন নিবন্ধিত ও তালিকাভুক্ত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক (Homoeopathic Doctor) হিসাবে বিবেচিত হইবেন।

২২। নিবন্ধন বহি, ইত্যাদি সরকারি দলিল

এই আইন বা তদধীন প্রণীত কোনো বিধি বা প্রবিধির অধীন প্রণীত, প্রকাশিত ও সংরক্ষিত নিবন্ধন বহি বা অনুরূপ দলিলাদি Evidence Act, 1872 (Act No. I of 1872) এর অধীন সরকারি দলিল (public document) বলিয়া গণ্য হইবে।

২৩। ভর্তি ও চিকিৎসা শিক্ষা যোগ্যতা

এই আইনের অধীন স্বীকৃত বিভিন্ন কোর্স, ডিগ্রি বা অনুশীলনে ভর্তি ও চিকিৎসা শিক্ষা যোগ্যতাসহ আনুষঙ্গিক বিষয়াদি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

২৪। পরীক্ষা

হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উহার শিক্ষার্থীদের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি, ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি, ডিপ্লোমা ইন হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন এন্ড সার্জারি অথবা এই আইন বা তদধীন প্রণীত কোনো বিধি বা প্রবিধি দ্বারা স্বীকৃত বা অনুমোদিত অন্য কোনো কোর্সের সনদ প্রদানের উদ্দেশ্যে প্রতি বৎসর অন্তত ১ (এক) বার করিয়া প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে পরীক্ষা গ্রহণ করিবে।

img