17 Apr 2026 +880 1886 456688
image

Laws & Rules

পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০
Click here for Deep-Dive

পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০

চতুর্থ অধ্যায় : সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির অধিকার, প্রতিকার প্রাপ্তি, ইত্যাদি ( পারিবারিক সহিংসতা আইন, ২০১০ )
১১। আদালতে আবেদন

(১) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে কোন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা, সেবা প্রদানকারী বা অন্য কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন প্রতিকার পাইবার জন্য আবেদন করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রতিটি আবেদন বিধি দ্বারা নির্ধারিত ফরমে করিতে হইবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদন শুনানীর জন্য তারিখ নির্ধারণ করিবে।

১২। আবেদন দাখিলের স্থান

এই আইনের অধীন কোন আবেদন নিম্নবর্ণিত স্থানের অধিক্ষেত্র সম্পন্ন কোন আদালতে দাখিল করা যাইবে-

(ক) যে স্থানে আবেদনকারী বসবাস করেন;

(খ) যে স্থানে প্রতিপক্ষ বসবাস করেন;

(গ) পারিবারিক সহিংসতা যে স্থানে সংঘটিত হইয়াছে; বা

(ঘ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যেখানে অস্থায়ীভাবে বসবাস করেন।

১৩। অন্তবর্তীকালীন সুরক্ষা আদেশ ও নোটিশ জারী

(১) ধারা ১১ এর অধীন কোন আবেদন প্রাপ্তির পর আদালত যদি আবেদন পত্রের সহিত উপস্থাপিত তথ্যাদি পর্যালোচনা করিয়া এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, প্রতিপক্ষ কর্তৃক বা তাহার প্ররোচনায় কোনরূপ পারিবারিক সহিংসতা ঘটিয়াছে বা ঘটিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে আদালত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে অন্তব র্তীকালীন সুরক্ষা আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং কেন স্থায়ী সুরক্ষা আদেশ প্রদান করা হইবে না, নোটিশ প্রাপ্তির ৭ (সাত) কার্যদিবসের মধ্যে, উহার কারণ দর্শাইবার জন্য প্রতিপক্ষকে নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(২) রেজিস্টার্ড ডাকযোগে, জারী কারক, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে নোটিশ জারী করা যাইবে।

১৪। সুরক্ষা আদেশ

সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি ও প্রতিপক্ষকে শুনানীর সুযোগ প্রদান করিয়া আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হয় যে, পারিবারিক সহিংসতা ঘটিয়াছে বা ঘটিবার সম্ভাবনা রহিয়াছে, তাহা হইলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির পক্ষে সুরক্ষা আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং প্রতিপক্ষকে নিম্নবর্ণিত কাজ করা হইতে বিরত থাকিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে, যথা :

(ক) পারিবারিক সহিংসতামূলক কোন কাজ সংঘটন;

(খ) পারিবারিক সহিংসতামূলক কাজ সংঘটনে সহায়তা করা বা প্ররোচনা প্রদান;

(গ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির কর্মস্থল, ব্যবসা বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা অন্যকোন প্রতিষ্ঠান যেখানে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সচরাচর যাতায়াত করেন সে স্থানে প্রবেশ;

(ঘ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সহিত ব্যক্তিগত, লিখিত, টেলিফোন, মোবাইল ফোন, ই-মেইল বা অন্য কোন উপায়ে যোগাযোগ;

(ঙ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির উপর নির্ভরশীল বা তাহার কোন আত্মীয় বা অন্যকোন ব্যক্তি, যিনি তাহাকে পারিবারিক সহিংসতা হইতে রক্ষার জন্য সহায়তা প্রদান করিয়াছেন উক্তরূপ ব্যক্তির প্রতি সহিংসতামূলক কাজ;

(চ) সুরক্ষা আদেশে উল্লিখিত অন্য যে কোন কাজ।

১৫। বসবাস আদেশ

(১) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত নিম্নরূপ বসবাস আদেশ প্রদান করিতে পারিবে, যথা :-

(ক) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি যে অংশীদারী বাসগৃহে বা উহার যে অংশে বসবাস করেন সেই গৃহে বা অংশে প্রতিপক্ষকে বসবাস করিবার বা যাতায়াত করিবার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ;

(খ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে অংশীদারী বাসগৃহ বা উহার কোন অংশ হইতে বেদখল করা বা ভোগ দখলে কোনরূপ বাধা সৃষ্টি সংক্রান্ত কার্য হইতে প্রতিপক্ষকে বারিত করা;

(গ) আদালতের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, সুরক্ষা আদেশ বলবৎ থাকা অবস্থায় অংশীদারী বাসগৃহ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার সন্তানের জন্য নিরাপদ নয়, তাহা হইলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সম্মতির প্রেক্ষিতে আদালত প্রয়োগকারী কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির জন্য নিরাপদ আশ্রয় স্থানের ব্যবস্থা;

(ঘ) উপযুক্ত বলিয়া বিবেচিত হইলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির জন্য অংশীদারী বাসগৃহের বিকল্প বাসস্থান বা অনুরূপ বাসস্থানের জন্য ভাড়া প্রদানের জন্য প্রতিপক্ষকে নির্দেশ;

(ঙ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে প্রয়োগকারী কর্মকর্তাসহ অংশীদারী বাসগৃহে প্রবেশের অনুমতি প্রদানের আদেশ, যাহাতে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উক্ত বাসগৃহ হইতে তাহার ব্যক্তিগত ও মালিকানাধীন জিনিস পত্র, যেমন- চিকিৎসা, শিক্ষা ও পেশাগত দলিলাদি ও সনদপত্রসহ যে কোন ধরনের দলিল, পাসপোর্ট, চেক বই, সঞ্চয়পত্র, বিনিয়োগ ও ব্যাংক হিসাব এবং আয়কর সম্পর্কিত কাগজপত্র, স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন, গৃহস্থালী জিনিসপত্র এবং অন্যান্য যে কোন সামগ্রী সংগ্রহ করিতে পারেন;

(চ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কতৃর্ক ব্যবহৃত এবং ব্যয় বহনকৃত যানবাহন ব্যবহার অব্যাহত রাখিবার নিমিত্ত প্রতিপক্ষকে আদেশ প্রদান।

(২) অংশীদারী বাসগৃহের সম্পূর্ণ বা অংশ বিশেষ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির অনুকূলে দখলে রাখিবার আদেশ প্রদান করা হইলেও উক্ত আদেশ উক্ত বাসগৃহে প্রতিপক্ষের স্বত্ব ও স্বার্থকে ক্ষুন্ন করিবে না।

(৩) যদি আদালতের এই মর্মে বিশ্বাস করিবার যুক্তিসংগত কারণ থাকে যে, সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করিবার জন্য প্রতিপক্ষকে অংশীদারী বাসগৃহ হইতে সাময়িকভাবে উচ্ছেদ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে আদালত প্রতিপক্ষকে অংশীদারী বাসগৃহ হইতে সাময়িক উচ্ছেদের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে :

তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ আদেশ অকার্যকর হইবে, যদি-

(ক) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির জন্য সুবিধাজনক নিরাপদ আশ্রয় বা নিরাপদ স্থান বা বিকল্প বাসগৃহ প্রদান করা সম্ভব হয়; অথবা

(খ) আদালতের নিকট সন্তোজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, উক্তরূপ উচ্ছেদ আদেশ বহাল রাখিবার আর কোন প্রয়োজন নাই।

(৪) আদালতের নিকট উপযুক্ত বলিয়া বিবেচিত হইলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার সন্তান অথবা তাহার পরিবারের অন্য কোন সদস্যের নিরাপত্তার স্বার্থে অন্য যে কোন শর্ত আরোপ বা নির্দেশনা প্রদান করিতে পারিবে।

(৫) প্রতিপক্ষকে জামানতসহ বা জামানত ব্যতীত এই মর্মে মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ দিতে পারিবে যে, তিনি বা তাহার পরিবারের অন্য কোন সদস্য ভবিষ্যতে পারিবারিক সহিংসতামূলক কাজ করিবেন না।

(৬) উপ-ধারা (১), (২) অথবা (৩) এর অধীন আদেশ প্রদানের সময় আদালত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করিবার লক্ষো সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লিখিত আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(৭) আদালত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মালিকানাধীন যে কোন স্থাবর সম্পত্তি, স্ত্রীধন, উপহার সামগ্রী বা বিবাহের সময় অর্জিত যে কোন সম্পদ এবং অস্থাবর সম্পত্তি, মূল্যবান দলিল, সনদ এবং অন্য কোন সম্পদ বা মূল্যবান জামানত তাহাকে ফেরত প্রদান করিবার জন্য প্রতিপক্ষকে আদেশ দিতে পারিবে।

১৬। ক্ষতিপূরণ আদেশ

(১) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির শারীরিক, মানসিক, আর্থিক, স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তির ক্ষতি হইলে বা ক্ষতির সম্ভাবনা থাকিলে, ধারা ১১ এর অধীন আবেদনের সহিত অথবা পরবর্তীতে পৃথক দরখাস্তের মাধ্যমে আদালতের নিকট ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করা যাইবে।

(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন আবেদন প্রাপ্তির ৬ (ছয়) মাসের মধ্যে আদালত উক্ত আবেদন নিষ্পত্তি করিবে।

(৩) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে পক্ষসমূহকে শুনানীর সুযোগ প্রদান করিয়া, উপ-ধারা (৪) এর বিধান সাপেক্ষে, আদালত যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ আর্থিক ক্ষতিপূরণ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে প্রদানের জন্য প্রতিপক্ষকে আদেশ দিতে পারিবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীন প্রাপ্ত আবেদন নিষ্পত্তির পূর্বে ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ নিরূপণের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে আদালত দায়িত্ব অর্পণ করিতে পারিবে এবং ক্ষতিপূরণের আবেদন শুনানীর সময় আদালত নিম্নবর্ণিত বিষয়সমূহ বিবেচনা করিবে, যথা :-

(ক) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আঘাত, ভোগান্তি, শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির প্রকৃতি ও পরিমাণ;

(খ) ক্ষতির জন্য চিকিৎসা খরচ;

(গ) ক্ষতির স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রভাব;

(ঘ) ক্ষতির কারণে বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ উপার্জনের উপর উহার প্রভাব;

(ঙ) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির যে পরিমাণ স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থানান্তর, হস্তান্তর, ধ্বংস বা ক্ষতি করা হইয়াছে উহার পরিমাণ ও মূল্য;

(চ) পারিবারিক সহিংসতার কারণে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা তাহার পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক ইতোমধ্যে ব্যয়িত অর্থের যুক্তিসঙ্গত পরিমাণ।

(৫) আদালত সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি এবং তাহার সন্তানের ভরণ পোষণের জন্য, তিনি যেরূপ জীবনযাত্রার অভ্যস্ত সেইরূপ জীবনযাত্রার জন্য পর্যাপ্ত ও যুক্তিযুক্ত অর্থ প্রদানের জন্য প্রতিপক্ষকে আদেশ দিতে পারিবে।

(৬) আদালত উপযুক্ত মনে করিলে, এককালীন বা মাসিক পরিশোধযোগ্য ভরণপোষণের আদেশ দিতে পারিবে।

(৭) আদালত এই ধারার অধীন প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট প্রেরণ করিবে, যাহার অধিক্ষেত্রের মধ্যে প্রতিপক্ষ সাধারণতঃ বসবাস করেন বা অবস্থান করেন।

(৮) প্রতিপক্ষ সরকারি, বেসরকারি, আধা-সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরিজীবী হইলে ক্ষতিপূরণ আদেশের একটি অনুলিপি প্রতিপক্ষের ঊধবর্তন কতৃর্পক্ষ বরাবর প্রেরণ করিবে।

(৯) উপ-ধারা (৩) এর অধীন আদেশ অনুসারে প্রতিপক্ষ ক্ষতিপূরণ দিতে ব্যর্থ হইলে, আদালত প্রতিপক্ষের নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বা যাহার অধীনে তিনি কর্মরত রহিয়াছেন তাহাকে উক্তরূপ ক্ষতিপূরণ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বরাবর পরিশোধের নিমিত্ত প্রতিপক্ষের মজুরী, বেতন বা অন্য কোন পাওনা হইতে নির্ধারিত অংশ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে সরাসরি অথবা তাহার ব্যাংক এ্যাকাউন্টে জমা প্রদানের জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে।

(১০) এই ধারার অধীন প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ আদেশের অর্থ Public Demands Recovery Act, 1913 (Bengal Act III of 1913)এর বিধান অনুযায়ী আদায় করা যাইবে।

১৭। নিরাপদ হেফাজত আদেশ

আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, আদালত এই আইনের অধীন আবেদন বিবেচনার যে কোন পর্যায়ে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির সন্তানকে তাহার নিকট অথবা তাহার পক্ষে অন্য কোন আবেদনকারীর জিম্মায় অস্থায়ীভাবে সাময়িক নিরাপদ হেফাজতে রাখিবার আদেশ দিতে পারিবে এবং প্রয়োজনে, উক্ত আদেশে প্রতিপক্ষ কর্তৃক উক্ত সন্তানের সহিত সাক্ষাৎ করিবার বিষয়টি উল্লেখ করা যাইবে।

১৮। বিনা মূল্যে আদেশের অনুলিপি সরবরাহ

এই আইনের অধীন প্রদত্ত সকল আদেশের অনুলিপি আদালত পক্ষগণ, সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, প্রয়োগকারী কর্মকর্তা এবং প্রযোয্য ক্ষেত্রে, সেবা প্রদানকারী কে বিনা মূল্যে সরবরাহ করিবে।

১৯। আদেশের মেয়াদ ও সংশোধন, ইত্যাদি

(১) ধারা ১৪ এর অধীন প্রদত্ত সুরক্ষা আদেশ সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি কর্তৃক উহা প্রত্যাহারের আবেদন না করা এবং আদালত কর্তৃক গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত বলবৎ থাকিবে।

(২) সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি বা প্রতিপক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত আবেদনের প্রেক্ষিতে পক্ষগণকে শুনানীর সুযোগ দিয়া আদালত যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এই আইন অনুসারে প্রদত্ত কোন আদেশ পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন বা বাতিল করা প্রয়োজন, তাহা হইলে আদালত উপযুক্ত বিবেচনায় লিখিত কারণ উল্লেখপূর্বক আদেশ সংশোধন করিতে পারিবে।

img