কোন কোম্পানী কর্তৃক এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে উক্ত অপরাধের সহিত প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতা রহিয়াছে কোম্পানীর এমন প্রত্যেক পরিচালক, ম্যানেজার, সচিব, অংশীদার, কর্মকর্তা এবং কর্মচারী উক্ত অপরাধ সংঘটন করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন, যদি না তিনি প্রমাণ করিতে পারেন যে, উক্ত অপরাধ তাহার অজ্ঞাতসারে সংঘটিত হইয়াছে অথবা উক্ত অপরাধ রোধ করিবার জন্য তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করিয়াছেন৷
ব্যাখ্যাঃ এই ধারায়-
(ক) “কোম্পানী” বলিতে কোন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, অংশীদারী কারবার, সমিতি, সংঘ এবং সংগঠনও অন্তর্ভুক্ত;
(খ) বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে “পরিচালক” বলিতে উহার কোন অংশীদার বা পরিচালনা বোর্ডের সদস্যকেও বুঝাইবে৷
সরকার কিংবা বোর্ড কর্তৃক অথবা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তা কর্তৃক আনীত অভিযোগ ব্যতীত কোন আদালত এই আইনের অধীন কোন মামলা বিচারার্থ গ্রহণ করিবেনা৷
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা, ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য হইবে৷
যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের ধারা ১৯, ধারা ২০, ধারা ২১ ও ধারা ২২ এর কোন বিধান লঙ্ঘন করেন তাহা হইলে তিনি অনুরূপ লংঘনের জন্য অনূর্ধ্ব তিন মাস কারাদন্ড বা অন্যুন বিশ হাজার টাকা এবং অনূর্ধ্ব পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে দন্ডণীয় হইবেন৷
এই আইনের অধীন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রমত, মেট্রোপলিটান ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত কোন রায় বা আদেশের বিরুদ্ধে এখতিয়ারসম্পন্ন দায়রা আদালতে আপীল করা যাইবে৷
এই আইনের বিধানাবলীর সহিত অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, এই আইনের অধীন অপরাধের তদন্ত, বিচার, আপীল ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ফৌজদারী কার্যবিধি প্রযোজ্য হইবে
এই আইনের অধীন অপরাধসমূহ আমল অযোগ্য (non-cognizable) ও জামিনযোগ্য (bailable) হইবে৷
(১) কোন ব্যক্তি এই আইনের অধীন দোষী সাব্যস্ত এবং দন্ডপ্রাপ্ত হইলে আদালত যেই পণ্য এবং যন্ত্রপাতির সম্পৃক্ততায় অপরাধটি সংগঠিত হইয়াছে তাহার সমুদয় বা কোন অংশ বাজেয়াপ্ত করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে৷
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন বাজেয়াপ্তকৃত সমুদয় পণ্য এবং যন্ত্রপাতি বা উহার অংশবিশেষ আদালতের নির্দেশিত পন্থায় নিষ্পত্তি করিতে হইবে৷